সকাল ১০:৩৯, সোমবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির লক্ষ্যে লটারির মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্রমিক নম্বরের তালিকা:

২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির লক্ষ্যে লটারির মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্রমিক নম্বরের তালিকা:
শ্রেণি: প্রথম
রোল: ২৬৯৭, ২৬৬৪, ২৬০৪, ২৫১৮, ২৫৭২, ২৫৩৩, ২৪৯৩, ২৬০৯, ২৬০১, ২৬১৯, ২৭৬৫, ২৬৯৮, ২৭৭১, ২৬৬৩, ২৭০৩, ২৭০৭, ২৭৫৬, ২৫৮৬। মোট = ১৮ জন।
শ্রেণি: দ্বিতীয়
রোল: ২৭৫৭, ২৬১৪, ২৫৭৭, ২৬২৪, ২৫২৪, ২৬০৫, ২৫৮৪, ২৫৬৫, ২৬১৭, ২৫৬৬, ২৬৫০, ২৫৯৯, ২৫৪৩, ২৬৯৯। মোট = ১৪ জন।
শ্রেণি: তৃতীয়
রোল: ২৬৩৩, ২৬৩২, ২৬২৩, ২৬৫৭, ২৬৩৭, ২৬৬৮, ২৬৩৮, ২৬৭৫, ২৬৭৪, ২৬৮৪, ২৬৮৯, ২৬০৩, ২৬০২, ২৫৯৮, ২৬৪৮, ২৬৭০, ২৫৯১, ২৫৫৬, ২৫৪৬, ২৫৩৮, ২৫২৮, ২৫২৩, ২৫৩৭, ২৫৪১, ২৬৪১, ২৬৫৩, ২৭০৮, ২৫৬৪, ২৭৫৮, ২৭৬৬, ২৬৯৪, ২৭৭০, ২৬৬৭, ২৬২৭, ২৬৮৩, ২৬৫৬, ২৭৬৩, ২৬৬১, ২৬০৭, ২৬৯৬, ২৬৯০, ২৬৯১, ২৭৭৩, ২৬২১, ২৭১২, ২৭২৪, ২৫৩২, ২৭৩৪, ২৭৩০, ২৭০২, ২৬৯৫, ২৭১৪, ২৭০৫। মোট = ৫৩ জন।
শ্রেণি: চতুর্থ
রোল: ২৫৯০, ২৫৫৮, ২৫৮২, ২৫৫৩, ২৫৯৭, ২৬৬৬, ২৬৮৭, ২৬৩৫, ২৬৪৭, ২৬৭৮, ২৬৬২, ২৬৯২, ২৬৪০, ২৬৪৬, ২৬৭৬, ২৬১১, ২৬৫২, ২৬৫১, ২৫৫৪, ২৭১০, ২৬৬১, ২৬০৭, ২৬৯৬, ২৬৯০, ২৬৯১, ২৭৭৩, ২৬০১, ২৭৫৫, ২৭৩১, ২৬৪৪, ২৭৬৪, ২৫৯৪, ২৭৩৬, ২৭২১, ২৬৩৬। মোট = ৩৫ জন।
শ্রেণি: পঞ্চম
রোল: ২৫৪৭, ২৬৩৯, ২৫৭৮, ২৭০৪, ২৬২৮, ২৭২৯, ২৬২০, ২৭৬১। মোট = ০৮ জন।
শ্রেণি: ষষ্ঠ
রোল: ২৬৮২, ২৬৩১, ২৫৩০, ২৬০৬, ২৬৮০, ২৬৪২, ২৬৩৪, ২৫৮৮, ২৬৬৭, ২৫৭০, ২৫৪৫, ২৫৬০, ২৫৬৩, ২৫৬৯, ২৬৭৭, ২৬৫৯, ২৭৬৭, ২৭০৯, ২৭৭৪, ২৭০৬, ২৫৫৯, ২৬৫৪, ২৭২৭, ২৭০১, ২৭৩৭, ২৫৯৫, ২৭১৯। মোট = ২৭ জন।
শ্রেণি: সপ্তম
রোল: ২৫৪৮, ২৬১৩, ২৬২৫, ২৫৪২, ২৬২৯, ২৫৩৯, ২৫১৫, ২৭১৬, ২৬৮৮, ২৬০৮, ২৬৭৩, ২৬৭২, ২৭৬৯, ২৬৬৯, ২৬২৬, ২৫৬২, ২৭১১, ২৭২৩। মোট = ১৮ জন
শ্রেণি: অষ্টম
রোল: ২৫৩১, ২৫৮৭, ২৫৭১, ২৫৪৪, ২৫৫৭, ২৭০৯, ২৬৭৯, ২৫৬৮, ২৬৪৩, ২৭৬২, ২৭১৮, ২৬৭১। মোট = ১২ জন।
শ্রেণি: নবম
রোল: ২৫৮০, ২৫৯৩, ২৬৬৫, ২৫৩৪, ২৫২২, ২৫৮১, ২৫২৯, ২৫৫২, ২৭১৭, ২৬৪৯, ২৫৯৬, ২৭৬৮, ২৬৫৮, ২৫৫৫, ২৬১২, ২৫৭৪, ২৭৭২, ২৫৮৫, ২৫৭৯, ২৫৬১, ২৭২৫, ২৭১৩, ২৬৮৬, ২৫৫০, ২৬৮৫, ২৫৫১, ২৭৩৮, ২৫৩৬, ২৭৩৫। মোট = ২৯ জন

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আগামী ২৪/১২/২০২১  থেকে ৩১/১২/২০২১ তারিখের মধ্যে অফিস চলাকালীন সময় (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা) ভর্তি হতে হবে। উক্ত তারিখের পর কোন শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না।]

(মোঃ ছামছুল আলম)
অধ্যক্ষ
করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল এ্যান্ড কলেজ, বগুড়া।

 

বিস্তারিত

২০২২ শিক্ষাবর্ষে নার্সারি ও কেজি শ্রেণিতে ভর্তির লক্ষ্যে লটারির মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্রমিক নম্বরের তালিকা:


তারিখ: ২২/১২/২০২১খ্রি.

২০২২ শিক্ষাবর্ষে নার্সারি ও কেজি শ্রেণিতে ভর্তির লক্ষ্যে লটারির মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্রমিক নম্বরের তালিকা:
শ্রেণি: নার্সারি
রোল: ২৬৩০, ২০৩১, ২৫৪৯, ২৩৯২, ২৪৮৬, ২৪৭২, ২৪৫৬, ২৪৫২, ২৪৪১, ২৪৮৫, ২৪৯৫, ২৪৭৯, ২৪২৩, ২৪২৪, ২৪৩১, ২৫১৩, ২৫২০, ২৪৩৪, ২৫১৬, ২৪৩৯, ২৫০৪, ২৫০৭, ২৪৬১, ২৫২৬, ২৪৮৯, ২৫৪৪, ২৪৭৩, ২৩৮০, ৩৫৪২, ২৩৭৪, ২৫০২, ২৫৭৩, ২৪৬০, ২৩৯৪, ২৪৪৯, ২৪৪২, ২৪৫৫, ২৪০৩, ২৪০৭, ২৪৪০, ২৩৮৩, ২৪০৬, ২৩৭৫, ২৩৯৬, ২৩৯০, ২০৩২, ২০২৬, ২০২৫, ২৩৯৩, ২৫০৯, ২৪৭৪, ২৩৮৯, ২৪৬৮, ২০৩০, ২৪৬৫, ২৪৪৪, ২৪৪৩, ২৪৭০, ২৪২৬, ২৪৪৫, ২৪৫৭, ২৪১০, ২৪৬৩, ২৫৪৭, ২৪৮৩। মোট= ৬৫ জন।
শ্রেণি: কেজি
রোল: ২৫৮৬, ২৪১৬, ২৪৭৫, ২৫২১, ২৪৮০, ২৫০৩, ২৪০৮, ২৪৯১, ২৪০৫, ২৪৮৪, ২৪১২, ২৪৫১, ২৩৮১, ২৫০১, ২৫০৮, ২৫১০, ২৪৮২, ২০৩৮, ২৪৮১, ২৪০৪, ২৪২২, ২৪৩৩, ২৪৭৭, ২০৩৩, অনলাইন রোল: ১ আইডি নম্বর- ১৬৭৯৪, ২৪৯৬, ২৪২৭, ২৪৫৩, ২৫১৪, ২৪৭৬, ২৪৫৮, ২৪৯০, ২৪৮৮, ২৪৮৭, ২৪৫৪, ২৪০১, ২৪৪৮, ২৪৭১, ২৪৩৬, ২৪১৩, ২৪০২, ২৪৫০, ২৪২০, ২৪৬৬, ২৩৯৫, ২৪১৯, ২৪৩৮, ২৪৩০, ২৪৪৬, ২৬৫৫, ২৪১৭, ২৪২১, ২৪২৮, ২৪৩২, ২৪২৫, ২৪৩৫, ২৪০০, ২৩৯৮, ২০৩৪, ২৩৮৭, ২৩৮৯, ২০২৪, ২৫৪৩, ২৩৭৭, ২৫৪৬, ২৫০৫, ২৪৯২, ২৪৯৯, ২৫০০, ২৫১৭, ২৪৩৭, ২০৩৫, ২৪৯৭, ২৪৬৭, ২৪৯৪, ২৪১১, ২৪১৪, ২৪৬৪, ২৪৪৭। মোট= ৭৯ জন।

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আগামী ২৩/১২/২০২১  থেকে ৩১/১২/২০২১ তারিখের মধ্যে অফিস চলাকালীন সময় (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা) ভর্তি হতে হবে। উক্ত তারিখের পর কোন শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না।]


(মোঃ ছামছুল আলম)
অধ্যক্ষ
করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল এ্যান্ড কলেজ, বগুড়া।

 

 

বিস্তারিত

অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে। সমাজ ও দেশকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে জীবনমুখী যুগোপযোগী কর্ম ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ২০০১ সালে জলেশ্বরতলীয় ছোট্ট পরিসরে করতোয়া মাল্টিমিডিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। ২০০৬ সালে সরকারী আজিজুল হক কলেজের বিপরীত পার্শ্বে অত্যন্ত নিরিবিলি পরিবেশে নিজস্ব অর্থায়নে নিজস্ব জমিতে চারতলা ভবনে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৫ তলা ও ৪ তলা ২টি ভবন বিশিষ্ট।

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অধ্যক্ষের সুতীক্ষ দৃষ্টি ভঙ্গি, সঠিক দিক নির্দেশনা, শিক্ষক মন্ডলীর মমতাময়ী পরিচর্যা, কম্পিউটারের মাধ্যমে পাঠদান ও তথ্যপ্রযুক্তি সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উত্তর বঙ্গের একটি অনন্য বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম নির্দেশিত পাঠ্যসুচী অনুসরণ করে পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করা হয়। তবে অন্যান্য পাঠ্য পুস্তুকের পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিয়ষকে বাধ্যতামূলকভাবে শেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ইংরেজী ও কম্পিউটার বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেই উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করতে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম লগ্ন থেকেই কম্পিউটারকে শিক্ষার উপকরণ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়কে আবশ্যিক বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্ধশত কম্পিউটার, মনোন্নত প্রজেক্টর সমৃদ্ধ সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাবে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে ছাত্র-ছাত্রীরা মাইক্রোসফ্ট অফিস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ইন্টারন্টে ব্যবহার ইত্যাদি শিক্ষার সুযোগ পেয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে। যেমন প্রতিটা শ্রেণিতে  প্রজেক্টর এর মাধ্যমে পাঠদানের সুব্যবস্থা, ২নং ফটকে আই ডি কার্ডের মাধ্যমে হাজিরা গ্রহণ, অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত করানো, প্রতিষ্ঠা শ্রেণী বারান্দা, অফিস, প্রধান ফটক সর্বত্রই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন এবং ইন্টারনেন্ট ব্যবহারের সার্বক্ষনিক সুবিধা, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের পাঠদানের সুবিধার্থে কমন রুমে  একাধিক ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও ক্লাস পরিচালনার স্বার্থে বিষয়ক শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান থেকে ল্যাপটপ সরবরাহ, শিশু শ্রেণিতে সিডির মাধ্যমে পাঠ্যদান ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিষ্ঠা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি বিষয় হিসাবে পৃথক পৃথক শিক্ষকদের মাধ্যমে রুটিন মাফিক শিক্ষা দেওয়া হয়। এই বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে থাকে। সম্মানিত অভিভাবকদের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতা স্কুলের অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। স্বল্প মেধা সম্পন্ন ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাধিকা নয় গুনগত মান সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী তৈরীই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সবদিক থেকে সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

বিস্তারিত

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে। সমাজ ও দেশকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে জীবনমুখী যুগোপযোগী কর্ম ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ২০০১ সালে জলেশ্বরতলীয় ছোট্ট পরিসরে করতোয়া মাল্টিমিডিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। ২০০৬ সালে সরকারী আজিজুল হক কলেজের বিপরীত পার্শ্বে অত্যন্ত নিরিবিলি পরিবেশে নিজস্ব অর্থায়নে নিজস্ব জমিতে চারতলা ভবনে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৫ তলা ও ৪ তলা ২টি ভবন বিশিষ্ট।

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অধ্যক্ষের সুতীক্ষ দৃষ্টি ভঙ্গি, সঠিক দিক নির্দেশনা, শিক্ষক মন্ডলীর মমতাময়ী পরিচর্যা, কম্পিউটারের মাধ্যমে পাঠদান ও তথ্যপ্রযুক্তি সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উত্তর বঙ্গের একটি অনন্য বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম নির্দেশিত পাঠ্যসুচী অনুসরণ করে পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করা হয়। তবে অন্যান্য পাঠ্য পুস্তুকের পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিয়ষকে বাধ্যতামূলকভাবে শেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ইংরেজী ও কম্পিউটার বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেই উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করতে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম লগ্ন থেকেই কম্পিউটারকে শিক্ষার উপকরণ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়কে আবশ্যিক বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্ধশত কম্পিউটার, মনোন্নত প্রজেক্টর সমৃদ্ধ সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাবে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে ছাত্র-ছাত্রীরা মাইক্রোসফ্ট অফিস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ইন্টারন্টে ব্যবহার ইত্যাদি শিক্ষার সুযোগ পেয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে। যেমন প্রতিটা শ্রেণিতে  প্রজেক্টর এর মাধ্যমে পাঠদানের সুব্যবস্থা, ২নং ফটকে আই ডি কার্ডের মাধ্যমে হাজিরা গ্রহণ, অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত করানো, প্রতিষ্ঠা শ্রেণী বারান্দা, অফিস, প্রধান ফটক সর্বত্রই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন এবং ইন্টারনেন্ট ব্যবহারের সার্বক্ষনিক সুবিধা, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের পাঠদানের সুবিধার্থে কমন রুমে  একাধিক ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও ক্লাস পরিচালনার স্বার্থে বিষয়ক শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান থেকে ল্যাপটপ সরবরাহ, শিশু শ্রেণিতে সিডির মাধ্যমে পাঠ্যদান ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিষ্ঠা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি বিষয় হিসাবে পৃথক পৃথক শিক্ষকদের মাধ্যমে রুটিন মাফিক শিক্ষা দেওয়া হয়। এই বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে থাকে। সম্মানিত অভিভাবকদের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতা স্কুলের অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। স্বল্প মেধা সম্পন্ন ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাধিকা নয় গুনগত মান সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী তৈরীই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সবদিক থেকে সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

বিস্তারিত

সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে। সমাজ ও দেশকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে জীবনমুখী যুগোপযোগী কর্ম ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ২০০১ সালে জলেশ্বরতলীয় ছোট্ট পরিসরে করতোয়া মাল্টিমিডিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। ২০০৬ সালে সরকারী আজিজুল হক কলেজের বিপরীত পার্শ্বে অত্যন্ত নিরিবিলি পরিবেশে নিজস্ব অর্থায়নে নিজস্ব জমিতে চারতলা ভবনে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৫ তলা ও ৪ তলা ২টি ভবন বিশিষ্ট।

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অধ্যক্ষের সুতীক্ষ দৃষ্টি ভঙ্গি, সঠিক দিক নির্দেশনা, শিক্ষক মন্ডলীর মমতাময়ী পরিচর্যা, কম্পিউটারের মাধ্যমে পাঠদান ও তথ্যপ্রযুক্তি সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উত্তর বঙ্গের একটি অনন্য বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম নির্দেশিত পাঠ্যসুচী অনুসরণ করে পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করা হয়। তবে অন্যান্য পাঠ্য পুস্তুকের পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিয়ষকে বাধ্যতামূলকভাবে শেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ইংরেজী ও কম্পিউটার বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেই উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করতে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম লগ্ন থেকেই কম্পিউটারকে শিক্ষার উপকরণ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়কে আবশ্যিক বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্ধশত কম্পিউটার, মনোন্নত প্রজেক্টর সমৃদ্ধ সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাবে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে ছাত্র-ছাত্রীরা মাইক্রোসফ্ট অফিস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ইন্টারন্টে ব্যবহার ইত্যাদি শিক্ষার সুযোগ পেয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে। যেমন প্রতিটা শ্রেণিতে  প্রজেক্টর এর মাধ্যমে পাঠদানের সুব্যবস্থা, ২নং ফটকে আই ডি কার্ডের মাধ্যমে হাজিরা গ্রহণ, অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত করানো, প্রতিষ্ঠা শ্রেণী বারান্দা, অফিস, প্রধান ফটক সর্বত্রই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন এবং ইন্টারনেন্ট ব্যবহারের সার্বক্ষনিক সুবিধা, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের পাঠদানের সুবিধার্থে কমন রুমে  একাধিক ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও ক্লাস পরিচালনার স্বার্থে বিষয়ক শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান থেকে ল্যাপটপ সরবরাহ, শিশু শ্রেণিতে সিডির মাধ্যমে পাঠ্যদান ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিষ্ঠা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি বিষয় হিসাবে পৃথক পৃথক শিক্ষকদের মাধ্যমে রুটিন মাফিক শিক্ষা দেওয়া হয়। এই বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে থাকে। সম্মানিত অভিভাবকদের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতা স্কুলের অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। স্বল্প মেধা সম্পন্ন ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাধিকা নয় গুনগত মান সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী তৈরীই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সবদিক থেকে সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

বিস্তারিত

কম্পিউটারের মাধ্যমে পাঠদান ও তথ্যপ্রযুক্তি

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে। সমাজ ও দেশকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে জীবনমুখী যুগোপযোগী কর্ম ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ২০০১ সালে জলেশ্বরতলীয় ছোট্ট পরিসরে করতোয়া মাল্টিমিডিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। ২০০৬ সালে সরকারী আজিজুল হক কলেজের বিপরীত পার্শ্বে অত্যন্ত নিরিবিলি পরিবেশে নিজস্ব অর্থায়নে নিজস্ব জমিতে চারতলা ভবনে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৫ তলা ও ৪ তলা ২টি ভবন বিশিষ্ট।

The specified carousel does not exist.

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অধ্যক্ষের সুতীক্ষ দৃষ্টি ভঙ্গি, সঠিক দিক নির্দেশনা, শিক্ষক মন্ডলীর মমতাময়ী পরিচর্যা, কম্পিউটারের মাধ্যমে পাঠদান ও তথ্যপ্রযুক্তি সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উত্তর বঙ্গের একটি অনন্য বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম নির্দেশিত পাঠ্যসুচী অনুসরণ করে পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করা হয়। তবে অন্যান্য পাঠ্য পুস্তুকের পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিয়ষকে বাধ্যতামূলকভাবে শেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ইংরেজী ও কম্পিউটার বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেই উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করতে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম লগ্ন থেকেই কম্পিউটারকে শিক্ষার উপকরণ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়কে আবশ্যিক বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্ধশত কম্পিউটার, মনোন্নত প্রজেক্টর সমৃদ্ধ সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাবে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে ছাত্র-ছাত্রীরা মাইক্রোসফ্ট অফিস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ইন্টারন্টে ব্যবহার ইত্যাদি শিক্ষার সুযোগ পেয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে। যেমন প্রতিটা শ্রেণিতে  প্রজেক্টর এর মাধ্যমে পাঠদানের সুব্যবস্থা, ২নং ফটকে আই ডি কার্ডের মাধ্যমে হাজিরা গ্রহণ, অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত করানো, প্রতিষ্ঠা শ্রেণী বারান্দা, অফিস, প্রধান ফটক সর্বত্রই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন এবং ইন্টারনেন্ট ব্যবহারের সার্বক্ষনিক সুবিধা, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের পাঠদানের সুবিধার্থে কমন রুমে  একাধিক ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও ক্লাস পরিচালনার স্বার্থে বিষয়ক শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান থেকে ল্যাপটপ সরবরাহ, শিশু শ্রেণিতে সিডির মাধ্যমে পাঠ্যদান ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিষ্ঠা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি বিষয় হিসাবে পৃথক পৃথক শিক্ষকদের মাধ্যমে রুটিন মাফিক শিক্ষা দেওয়া হয়। এই বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে থাকে। সম্মানিত অভিভাবকদের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতা স্কুলের অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। স্বল্প মেধা সম্পন্ন ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাধিকা নয় গুনগত মান সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী তৈরীই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সবদিক থেকে সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

বিস্তারিত

২০০১ সালে জলেশ্বরতলীয় ছোট্ট পরিসরে করতোয়া মাল্টিমিডিয়া

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে। সমাজ ও দেশকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে জীবনমুখী যুগোপযোগী কর্ম ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ২০০১ সালে জলেশ্বরতলীয় ছোট্ট পরিসরে করতোয়া মাল্টিমিডিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। ২০০৬ সালে সরকারী আজিজুল হক কলেজের বিপরীত পার্শ্বে অত্যন্ত নিরিবিলি পরিবেশে নিজস্ব অর্থায়নে নিজস্ব জমিতে চারতলা ভবনে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৫ তলা ও ৪ তলা ২টি ভবন বিশিষ্ট।

hsc-pic-10-7-2016

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অধ্যক্ষের সুতীক্ষ দৃষ্টি ভঙ্গি, সঠিক দিক নির্দেশনা, শিক্ষক মন্ডলীর মমতাময়ী পরিচর্যা, কম্পিউটারের মাধ্যমে পাঠদান ও তথ্যপ্রযুক্তি সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উত্তর বঙ্গের একটি অনন্য বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম নির্দেশিত পাঠ্যসুচী অনুসরণ করে পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করা হয়। তবে অন্যান্য পাঠ্য পুস্তুকের পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিয়ষকে বাধ্যতামূলকভাবে শেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ইংরেজী ও কম্পিউটার বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।

test   test   test  
RKRBD

 

test test test
RKRBD

 

 

test   test   test  
RKRBD

 

সেই উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করতে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম লগ্ন থেকেই কম্পিউটারকে শিক্ষার উপকরণ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়কে আবশ্যিক বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্ধশত কম্পিউটার, মনোন্নত প্রজেক্টর সমৃদ্ধ সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাবে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে ছাত্র-ছাত্রীরা মাইক্রোসফ্ট অফিস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ইন্টারন্টে ব্যবহার ইত্যাদি শিক্ষার সুযোগ পেয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে। যেমন প্রতিটা শ্রেণিতে  প্রজেক্টর এর মাধ্যমে পাঠদানের সুব্যবস্থা, ২নং ফটকে আই ডি কার্ডের মাধ্যমে হাজিরা গ্রহণ, অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত করানো, প্রতিষ্ঠা শ্রেণী বারান্দা, অফিস, প্রধান ফটক সর্বত্রই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন এবং ইন্টারনেন্ট ব্যবহারের সার্বক্ষনিক সুবিধা, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের পাঠদানের সুবিধার্থে কমন রুমে  একাধিক ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও ক্লাস পরিচালনার স্বার্থে বিষয়ক শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান থেকে ল্যাপটপ সরবরাহ, শিশু শ্রেণিতে সিডির মাধ্যমে পাঠ্যদান ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিষ্ঠা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি বিষয় হিসাবে পৃথক পৃথক শিক্ষকদের মাধ্যমে রুটিন মাফিক শিক্ষা দেওয়া হয়। এই বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে থাকে। সম্মানিত

 

test   test   test  
RKRBD          
ssss sadas   sads  
sada asds asd sad sad sad

 

অভিভাবকদের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতা স্কুলের অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। স্বল্প মেধা সম্পন্ন ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাধিকা নয় গুনগত মান সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী তৈরীই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সবদিক থেকে সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

বিস্তারিত

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে। সমাজ ও দেশকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে জীবনমুখী যুগোপযোগী কর্ম ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ২০০১ সালে জলেশ্বরীতলায় ছোট্ট পরিসরে করতোয়া মাল্টিমিডিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। ২০০৬ সালে সরকারী আজিজুল হক কলেজের বিপরীত পার্শ্বে অত্যন্ত নিরিবিলি পরিবেশে নিজস্ব অর্থায়নে নিজস্ব জমিতে চারতলা ভবনে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৫ তলা ১টি ও ৪ তলা ২টি ভবন বিশিষ্ট।

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অধ্যক্ষের সুতীক্ষ দৃষ্টি ভঙ্গি, সঠিক দিক নির্দেশনা, শিক্ষক মন্ডলীর মমতাময়ী পরিচর্যা, কম্পিউটারের মাধ্যমে পাঠদান ও তথ্যপ্রযুক্তি সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উত্তর বঙ্গের একটি অনন্য বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম নির্দেশিত পাঠ্যসুচী অনুসরণ করে পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করা হয়। তবে অন্যান্য পাঠ্য পুস্তকের পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিয়ষকে বাধ্যতামূলকভাবে শেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ইংরেজী ও কম্পিউটার বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেই উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করতে প্রতিষ্ঠানটির জন্মলগ্ন থেকেই কম্পিউটারকে শিক্ষার উপকরণ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়কে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্ধশত কম্পিউটার, মনোন্নত প্রজেক্টর সমৃদ্ধ সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাবে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে ছাত্র-ছাত্রীরা মাইক্রোসফট অফিস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ইন্টারনেট ব্যবহার ইত্যাদি শিক্ষার সুযোগ পেয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে। যেমন প্রতিটা শ্রেণিতে  প্রজেক্টর এর মাধ্যমে পাঠদানের সুব্যবস্থা, ২নং ফটকে আই ডি কার্ডের মাধ্যমে হাজিরা গ্রহণ, অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত করানো, প্রতিষ্ঠানের শ্রেণী, বারান্দা, অফিস, প্রধান ফটক সর্বত্রই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সার্বক্ষনিক সুবিধা, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের পাঠদানের সুবিধার্থে কমন রুমে একাধিক ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও ক্লাস পরিচালনার স্বার্থে শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান থেকে ল্যাপটপ সরবরাহ, শিশু শ্রেণিতে সিডির মাধ্যমে পাঠ্যদান ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিষ্ঠা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি বিষয় হিসাবে পৃথক পৃথক শিক্ষকদের মাধ্যমে রুটিন মাফিক শিক্ষা দেওয়া হয়। এই বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে থাকে। সম্মানিত অভিভাবকদের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতা স্কুলের অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। স্বল্প মেধা সম্পন্ন ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাধিক্য নয় গুনগত মান সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী তৈরীই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সবদিক থেকে সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

বিস্তারিত

একাডেমি নিউজ

২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির লক্ষ্যে লটারির মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্রমিক নম্বরের তালিকা:

বিস্তারিত দেখুন....

২০২২ শিক্ষাবর্ষে নার্সারি ও কেজি শ্রেণিতে ভর্তির লক্ষ্যে লটারির মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্রমিক নম্বরের তালিকা:

বিস্তারিত দেখুন....

অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত

বিস্তারিত দেখুন....

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা

বিস্তারিত দেখুন....

সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন

বিস্তারিত দেখুন....

আরোও দেখুন

ক্যালেন্ডার
  • গুরুত্বপূর্ণ লিংক
    Special Photos

    The specified carousel does not exist.

    Contact Address:

    Jamilnagar, Bogra, Bangladesh
    Phone: +88-051-65539, +8801713-228443, E-mail:kmsc2001@gmail.com