দুপুর ২:৫২, রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং
নোটিশ-১৮/০২/২০১৮ (বনভোজন উপলক্ষে)

নোটিশ
১৮/০২/২০১৮খ্রি.
অত্র প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানো যাচ্ছে যে, ২০ ও ২২ ফেব্রুয়ারী-২০১৮খ্রি. মাধ্যমিক ও কলেজ শাখার বনভোজন উপলক্ষে প্রাথমিক শাখার পাঠদান বন্ধ থাকবে এবং ২১ ফেব্রুয়ারী-২০১৮খ্রি. শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ২৪/০২/২০১৮খ্রি. শনিবার থেকে প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম চলবে। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা (হাতে ও কম্পিউটারে আঁকা) ১৯/০২/১৮খ্রি. অনুষ্ঠিত হবে।

অধ্যক্ষ

 

বিস্তারিত

পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা

করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ২০১৬ ও ২০১৭ সালের পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আগামী ০৫/১০/২০১৭ খ্রি: রোজঃ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩.০০টায় অত্র প্রতিষ্ঠানের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে সকল কৃতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো। 

 

(মোঃ ছামছুল আলম)
অধ্যক্ষ
করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, বগুড়া।

বিস্তারিত

অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে। সমাজ ও দেশকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে জীবনমুখী যুগোপযোগী কর্ম ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ২০০১ সালে জলেশ্বরতলীয় ছোট্ট পরিসরে করতোয়া মাল্টিমিডিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। ২০০৬ সালে সরকারী আজিজুল হক কলেজের বিপরীত পার্শ্বে অত্যন্ত নিরিবিলি পরিবেশে নিজস্ব অর্থায়নে নিজস্ব জমিতে চারতলা ভবনে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৫ তলা ও ৪ তলা ২টি ভবন বিশিষ্ট।

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অধ্যক্ষের সুতীক্ষ দৃষ্টি ভঙ্গি, সঠিক দিক নির্দেশনা, শিক্ষক মন্ডলীর মমতাময়ী পরিচর্যা, কম্পিউটারের মাধ্যমে পাঠদান ও তথ্যপ্রযুক্তি সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উত্তর বঙ্গের একটি অনন্য বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম নির্দেশিত পাঠ্যসুচী অনুসরণ করে পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করা হয়। তবে অন্যান্য পাঠ্য পুস্তুকের পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিয়ষকে বাধ্যতামূলকভাবে শেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ইংরেজী ও কম্পিউটার বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেই উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করতে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম লগ্ন থেকেই কম্পিউটারকে শিক্ষার উপকরণ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়কে আবশ্যিক বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্ধশত কম্পিউটার, মনোন্নত প্রজেক্টর সমৃদ্ধ সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাবে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে ছাত্র-ছাত্রীরা মাইক্রোসফ্ট অফিস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ইন্টারন্টে ব্যবহার ইত্যাদি শিক্ষার সুযোগ পেয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে। যেমন প্রতিটা শ্রেণিতে  প্রজেক্টর এর মাধ্যমে পাঠদানের সুব্যবস্থা, ২নং ফটকে আই ডি কার্ডের মাধ্যমে হাজিরা গ্রহণ, অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত করানো, প্রতিষ্ঠা শ্রেণী বারান্দা, অফিস, প্রধান ফটক সর্বত্রই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন এবং ইন্টারনেন্ট ব্যবহারের সার্বক্ষনিক সুবিধা, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের পাঠদানের সুবিধার্থে কমন রুমে  একাধিক ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও ক্লাস পরিচালনার স্বার্থে বিষয়ক শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান থেকে ল্যাপটপ সরবরাহ, শিশু শ্রেণিতে সিডির মাধ্যমে পাঠ্যদান ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিষ্ঠা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি বিষয় হিসাবে পৃথক পৃথক শিক্ষকদের মাধ্যমে রুটিন মাফিক শিক্ষা দেওয়া হয়। এই বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে থাকে। সম্মানিত অভিভাবকদের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতা স্কুলের অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। স্বল্প মেধা সম্পন্ন ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাধিকা নয় গুনগত মান সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী তৈরীই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সবদিক থেকে সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

বিস্তারিত

সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে। সমাজ ও দেশকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে জীবনমুখী যুগোপযোগী কর্ম ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ২০০১ সালে জলেশ্বরতলীয় ছোট্ট পরিসরে করতোয়া মাল্টিমিডিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। ২০০৬ সালে সরকারী আজিজুল হক কলেজের বিপরীত পার্শ্বে অত্যন্ত নিরিবিলি পরিবেশে নিজস্ব অর্থায়নে নিজস্ব জমিতে চারতলা ভবনে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৫ তলা ও ৪ তলা ২টি ভবন বিশিষ্ট।

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অধ্যক্ষের সুতীক্ষ দৃষ্টি ভঙ্গি, সঠিক দিক নির্দেশনা, শিক্ষক মন্ডলীর মমতাময়ী পরিচর্যা, কম্পিউটারের মাধ্যমে পাঠদান ও তথ্যপ্রযুক্তি সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উত্তর বঙ্গের একটি অনন্য বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম নির্দেশিত পাঠ্যসুচী অনুসরণ করে পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করা হয়। তবে অন্যান্য পাঠ্য পুস্তুকের পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিয়ষকে বাধ্যতামূলকভাবে শেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ইংরেজী ও কম্পিউটার বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেই উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করতে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম লগ্ন থেকেই কম্পিউটারকে শিক্ষার উপকরণ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়কে আবশ্যিক বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্ধশত কম্পিউটার, মনোন্নত প্রজেক্টর সমৃদ্ধ সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাবে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে ছাত্র-ছাত্রীরা মাইক্রোসফ্ট অফিস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ইন্টারন্টে ব্যবহার ইত্যাদি শিক্ষার সুযোগ পেয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে। যেমন প্রতিটা শ্রেণিতে  প্রজেক্টর এর মাধ্যমে পাঠদানের সুব্যবস্থা, ২নং ফটকে আই ডি কার্ডের মাধ্যমে হাজিরা গ্রহণ, অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত করানো, প্রতিষ্ঠা শ্রেণী বারান্দা, অফিস, প্রধান ফটক সর্বত্রই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন এবং ইন্টারনেন্ট ব্যবহারের সার্বক্ষনিক সুবিধা, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের পাঠদানের সুবিধার্থে কমন রুমে  একাধিক ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও ক্লাস পরিচালনার স্বার্থে বিষয়ক শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান থেকে ল্যাপটপ সরবরাহ, শিশু শ্রেণিতে সিডির মাধ্যমে পাঠ্যদান ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিষ্ঠা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি বিষয় হিসাবে পৃথক পৃথক শিক্ষকদের মাধ্যমে রুটিন মাফিক শিক্ষা দেওয়া হয়। এই বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে থাকে। সম্মানিত অভিভাবকদের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতা স্কুলের অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। স্বল্প মেধা সম্পন্ন ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাধিকা নয় গুনগত মান সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী তৈরীই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সবদিক থেকে সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

বিস্তারিত

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে। সমাজ ও দেশকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে জীবনমুখী যুগোপযোগী কর্ম ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ২০০১ সালে জলেশ্বরতলীয় ছোট্ট পরিসরে করতোয়া মাল্টিমিডিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়। ২০০৬ সালে সরকারী আজিজুল হক কলেজের বিপরীত পার্শ্বে অত্যন্ত নিরিবিলি পরিবেশে নিজস্ব অর্থায়নে নিজস্ব জমিতে চারতলা ভবনে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৫ তলা ও ৪ তলা ২টি ভবন বিশিষ্ট।

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোজাম্মেল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অধ্যক্ষের সুতীক্ষ দৃষ্টি ভঙ্গি, সঠিক দিক নির্দেশনা, শিক্ষক মন্ডলীর মমতাময়ী পরিচর্যা, কম্পিউটারের মাধ্যমে পাঠদান ও তথ্যপ্রযুক্তি সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উত্তর বঙ্গের একটি অনন্য বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম নির্দেশিত পাঠ্যসুচী অনুসরণ করে পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করা হয়। তবে অন্যান্য পাঠ্য পুস্তুকের পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিয়ষকে বাধ্যতামূলকভাবে শেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ইংরেজী ও কম্পিউটার বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেই উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করতে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম লগ্ন থেকেই কম্পিউটারকে শিক্ষার উপকরণ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়কে আবশ্যিক বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্ধশত কম্পিউটার, মনোন্নত প্রজেক্টর সমৃদ্ধ সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাবে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে ছাত্র-ছাত্রীরা মাইক্রোসফ্ট অফিস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ইন্টারন্টে ব্যবহার ইত্যাদি শিক্ষার সুযোগ পেয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে। যেমন প্রতিটা শ্রেণিতে  প্রজেক্টর এর মাধ্যমে পাঠদানের সুব্যবস্থা, ২নং ফটকে আই ডি কার্ডের মাধ্যমে হাজিরা গ্রহণ, অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের মাধ্যমে অভিভাবকে অবগত করানো, প্রতিষ্ঠা শ্রেণী বারান্দা, অফিস, প্রধান ফটক সর্বত্রই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষন এবং ইন্টারনেন্ট ব্যবহারের সার্বক্ষনিক সুবিধা, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের পাঠদানের সুবিধার্থে কমন রুমে  একাধিক ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও ক্লাস পরিচালনার স্বার্থে বিষয়ক শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান থেকে ল্যাপটপ সরবরাহ, শিশু শ্রেণিতে সিডির মাধ্যমে পাঠ্যদান ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিষ্ঠা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি বিষয় হিসাবে পৃথক পৃথক শিক্ষকদের মাধ্যমে রুটিন মাফিক শিক্ষা দেওয়া হয়। এই বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে থাকে। সম্মানিত অভিভাবকদের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতা স্কুলের অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। স্বল্প মেধা সম্পন্ন ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাধিকা নয় গুনগত মান সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী তৈরীই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সবদিক থেকে সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

বিস্তারিত

একাডেমি নিউজ

নোটিশ-১৮/০২/২০১৮ (বনভোজন উপলক্ষে)

বিস্তারিত দেখুন....

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি-২০১৮

বিস্তারিত দেখুন....

পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা

বিস্তারিত দেখুন....

এসএসসি পরীক্ষা-২০১৬ সালের বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃর্তী শিক্ষার্থীরা

বিস্তারিত দেখুন....

একাদশ শ্রেণির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি-২০১৭

বিস্তারিত দেখুন....

আরোও দেখুন

ক্যালেন্ডার
  • গুরুত্বপূর্ণ লিংক
    Special Photos

    Contact Address:

    Jamilnagar, Bogra, Bangladesh
    Phone: +88-051-65539, +8801713-228443, E-mail:kmsc2001@gmail.com